• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৯ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি

খাদ্যমন্ত্রীকে বাদ দেওয়ার দাবি

ইসলামীসিসি ডেস্ক : খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামকে মন্ত্রিপরিষদ থেকে বাদ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে ইসলামী ঐক্যজোট।

শুক্রবার ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান ও মহাসচিবের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়।

ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামী ও মহাসচিব মুফতি ফয়জুল্লাহ এক বিবৃতিতে বলেন, ‘কওমি মাদ্রাসার বিরুদ্ধে কথা বলার মানে- ইলমে ওহির বিরুদ্ধে, আল্লাহর দীনের বিরুদ্ধে কথা বলা। শয়তানের দূতের কাজ হচ্ছে আল্লাহর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করা, ইসলামের মূল ইনস্টিটিউশন মসজিদ-মাদ্রাসা বন্ধ করে দিয়ে দেশকে ইসলামশূন্য করা, জাতিকে পাপাচারে লিপ্ত করে মানুষের ঈমান ছিনিয়ে নেওয়া, মানুষকে আলো থেকে আঁধারে নিয়ে এবং আঁধারের সে পথ দিয়েই জাহান্নামে নিয়ে যাওয়া। মন্ত্রী কামরুল সে অপকর্মটিই করে যাচ্ছেন।’

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ‘যার মনে সামান্যতম ঈমান আছে, সে ইলমে ওহির শিক্ষাকেন্দ্র মাদ্রাসার বিরুদ্ধে কথা বলতে পারে না। এটি জঘন্য পাপ, ঈমানহীনতার লক্ষণ।এরা সরকারের ভেতর ঘাপটি মেরে থেকে নিজে ডুবছে, দেশকে এবং সরকারকে ডোবাচ্ছে।’

ঐক্যজোটের শীর্ষ এই দুই নেতা আরো বলেন, ‘নৈরাজ্যমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত, অস্ত্রমুক্ত, মাদকমুক্ত, আদর্শ নাগরিক এবং আলোকিত মানুষ গড়ার কারখানা এবং সমাজে শান্তিশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠাকারী এবং নৈতিক চরিত্রবান দেশপ্রেমিক সুনাগরিক এবং আল্লাহভীরু বান্দাহ তৈরির মহোত্তম প্রতিষ্ঠান এই কওমি মাদরাসাগুলোর মাধ্যমে আল্লাহ মানুষকে অন্ধকার থেকে আলোর দিকে নিয়ে আসেন।’

অবিলম্বে মন্ত্রিপরিষদ থেকে খাদ্যমন্ত্রীকে অপসারণ করাসহ ওয়াজ-মহফিল ও তাফসির মহফিলগুলোকে নিয়ন্ত্রণের অপচেষ্টা বন্ধ, মসজিদের ইমাম, খতিব, খুতবা ও মাদরাসা শিক্ষক, নিরিহ আলেম-ওলামাদের ওপর নজরদারি বন্ধ না করা হলে জনগণ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে বাধ্য হবে বলেও হুমকি দেন ইসলামী ঐক্যজোটের শীর্ষ দুই নেতা।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ